আওয়ামীলীগ শুধু একটি সংগঠনই না একটি জাতির শক্তি,সাহস,অনুপ্রেরণা..

0
74

২৩জুন ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিমলীগ নামে প্রতিষ্ঠা লাভ করে আওয়ামীলীগ। যার নেতৃত্বে ছিলেন মাওলানা ভাসানী ,শামছুল হক ,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের মতো ঐতিহাসিক নেতারা।যারা আজীবন দেশকে ভালবেসেছেন বিনিময়ে কি পেয়েছেন আর কি না পেয়েছেন তা নিয়ে তাদের মাথা ব্যাথা ছিলনা।১৯৫২ সালে বঙ্গবন্ধু সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার পর দীর্ঘ ১৩ বছর একই পদে এবং পরবর্তীতে সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করেন।ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় বাংলাকে রাষ্ট্র ভাষা করার দাবী থেকে শুরু করে সংবিধান ,গণতন্ত্র তথা তৎকালীন পাকিস্তানের দু’অঞ্চলের মধ্যে বৈষম্য দূরীকরণই ছিল সংগঠনটির মূল লক্ষ্য ।দেশ স্বাধীন থেকে শুরু করে স্বাধীন পরবর্তী সংকটময় মূহুর্তেও বাংলার জনগনের পাশে বিশ্বস্ত হিসেবে দাড়িয়ে ছিল এই আওয়ামীলীগই।আবার ৯০ এর দশকে স্বৈরাশাসকের কবল থেকে দেশকে রক্ষার জন্যও জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামীলীগের পাশে ছিল বাংলার কোটি জনতা ।সুতরাং আমি বলতে চাই বঙ্গবন্ধুর সেই আওয়ামীলীগকে, জন নেত্রী শেখ হাসিনার আওয়ামীলীগকে, বাংলার কোটি জনতার আওয়ামীলীগের সুনাম নষ্ট করেতে কিছু সুবিধাবাদী নব্য আওয়ামীলীগ,ছাত্রলীগ তৈরি হচ্ছে যাদের উদ্দেশ্যই আওয়ামীলীগের ছায়াতলে থেকে কোটি টাকার মালিক হওয়া আর সংগঠনটিকে কলঙ্কিত করা। বর্তমানে এই সকল সুবিধাবাদী গোপ্তচররাই বিভিন্ন জায়গায় মারামারি সন্ত্রাসী দূর্ণীতি করে বেড়াচ্ছে তাদের উদ্দেশ্য একটাই আওয়ামীলীগ সম্পর্কে জনগনের মনে নেতিবাচক ধারনা তৈরি করে আওয়ামীলীগের জনপ্রিয়তা কমানো।আজ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ৭১তম জন্মদিনে জননেত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষন করে বলতে চাই অচিরেই দল থেকে এই গুপ্তচর মাস্তানদের বের করে আওয়ামীলীগের সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে যথেষ্ট পদক্ষেপ নিবেন।যার মাধ্যমে আওয়ামীলীগ ফিরে পাবে তাদের পুরনো ঐতির্য্য।
জয় হোক জননেত্রী শেখ হাসিনার ,জয় হোক কোটি জনতার অনুপ্রেরণার সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর।-

পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

আপনার মতামত কমেন্টস করুন