শিরোনাম
ত্রিশাল ইউনিয়নে আ’লীগের দলীয় চেয়ারম্যান হতে হলে, দরকার জাকির হোসেন সরকারের ত্রিশালে বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করলেন মেয়র আনিছ ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আহাম্মদ আলী বুলুর নির্বাচনী প্রচারনা ত্রিশালে শ্রমিক লীগের ৫২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন শারদীয় দুর্গা পূজার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কানিহারী ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ ফরহাদ হোসেন অনিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল বন্ধের নির্দেশ, হাইকোর্টে আপিল করলেন বনেক ত্রিশা‌লে বাংলা‌দে‌শের খবর প‌ত্রিকার প্রতিষ্ঠা বা‌র্ষিকী পা‌লিত ত্রিশালে রাজনৈতিক ভাবে হেয় করতে মেয়র আনিছের বিরুদ্ধে চক্রান্ত ত্রিশালের মঠবাড়ি ফুটবল ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত ত্রিশালে বিরল রোগাক্রান্ত সালমানের পরিবারকে ঘর প্রদান
শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ০৮:৫৮ অপরাহ্ন

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার জমিতে পুকুর খননের হিড়িক ।

রিপোটারের নাম / ১০২৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক, শিবগঞ্জ : চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার দাইপুখুরিয়া ইউনিয়নে তিনটি ফসল উৎপাদকারী বিল এলাকায় প্রভাবশালীদের পুকুর খনন করে মাছ চাষের ব্যাপক হিড়িক পড়েছে। ফলে দেশে খাদ্য ঘাটতির হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ পর্যন্ত কালোন, চ্যাংমারী ও ঘোড়াদহ এলাকায় প্রায় ৯৫টি পুকুর খনন করা হয়েছে। এ সমস্ত পুকুর খনন করার ফলে রবি মৌসুমে ফসল উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়েছে। স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন ইতোমধ্যে পুকুর খনন বন্ধ করলেও রাতের আধারে ওই সব প্রভাবশালী ব্যক্তিরা পুকুর কাটছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

তারা জানায়, পুকুর খননের জন্য লিজ দিয়ে তারা বিঘা প্রতি বছরে ২০ হাজার টাকা পাচ্ছে। ফলে কৃষকেরা জমি পুকুর খননের জন্য লিজ দিতে বাধ্য হচ্ছে। তবে কৃষকেরা আরও জানায়, কৃষি বিভাগ ও বিএমডিএ বিভাগ যদি এ সমস্ত বিলে পরিকল্পনা অনুযায়ী গভীর নলকূপ স্থাপন করে চাষাবাদের ব্যবস্থা করলে বছরে তিনটি ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হবে। যেমন একই এলাকার কর্ণখালী বিল ও পুঠিমারী বিলে গভীর নলকূপ স্থাপন করে কয়েকটি ফসল উৎপাদন করা হচ্ছে।

পুকুর খননের বিষয়ে দাইপুখুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতিকুল ইসলাম জুয়েলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সরকারি নির্দেশনাকে উপেক্ষা করে এক শ্রেণির প্রভাবশালী ব্যক্তিরা কৃষকদের আর্থিক প্রলোভন দেখিয়ে ১০ বছর মেয়াদি লিজ নিচ্ছে জমি, কাটছে দেদারসে পুকুর। শুনতে চাইনা কারো কথা। কিন্তু ওই সমস্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিরা পুকুর খনন করে মৎস্য চাষ অব্যহত রাখলে বিলে কোন ফসলি জমি থাকবেনা। দেখা দিবে খাদ্য ঘাটতি। এ কারণে বড় ধরণের ক্ষতি দেখা দেয়ার আগেই পুকুর খনন বন্ধ করা উচিত। পুকুর খননের ফলে বর্ষা মৌসুমে জলবদ্ধতা সৃষ্টি হবে। পুকুরের পার্শ্ববর্তী এলাকায় কোন ফসল উৎপাদন করা যাবেনা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এসএম আমিনুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, অভিযোগ পেয়েছেন। তবে কয়টি পুকুর খনন করা হয়ে এবং কারা পুকুর করছে- তা ওই ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে প্রতিবেদন চাওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, প্রতিবেদন পাওয়া মাত্রই বিষয়টি উর্দ্ধতণ কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রতিবেদন পাঠানো হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিমুল আকতারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, পুকুর খননের বিষয়টি তিনি অবহিত। পুকুর খনন বন্ধ ও সমস্যা সমাধানের বিষয়ে জরুরী ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ