ত্রিশালে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান খুন হওয়ায় অল্প বয়সে বিধবা রোজিনা, পিতৃহারা দু’শিশু

0
817

নিজস্ব প্রতিবেদক// ময়মনসিংহের ত্রিশাল
কাজী শিমলা দুলালবাড়ী গ্রামের পঙ্গু বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাকিমের দ্বিতীয় ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান বাদল খুন হওয়ায় অল্প বয়সে বিধবা হলেন, তার স্ত্রী রোজিনা খাতুন (২২) ও পিতৃহারা হলেন, দুই শিশু রাব্বী(৪) ও মোমিন(২)। উল্লেখ্য -মামলার এজাহার এবং পারিবারারিক সূত্রে জানাযায়- এজাহারে উল্লেখিত বিবাদীরা গত ২০শে ডিসেম্বর সন্ধ্যায় মোস্তাফিজুর রহমান বাদলকে বাড়ি হইতে ডেকে নিয়ে যায়। ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাদল বাড়ি ফিরে না আসলে বাদলের বড় ভাই আবুল বাসার ত্রিশাল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন। ডায়েরী নং-১০৩৪। পরবর্তী ২৭ডিসেম্বর বিকেলে লোক মারফত বাদলের পরিবার জানতে পারেন, ময়মনসিংহের কোতোয়ালী মডেল থানাধীন পন ঘাগড়া ভূইয়া বাড়ীর উত্তর পাশে জৈনিক আলাল মিয়ার ডোবার জমিতে মোস্তাফিজুর রহমান বাদলের মৃত দেহ পড়িয়া রয়েছে। মোস্তাফিজুর রহমান বাদলের পরিবার লাশ সনাক্ত করলে,পরে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ অর্ধ গলিত বাদলের মরদেহ উদ্ধার করে, সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করিয়া লাশ ময়না তদন্তের জন্য ময়মরসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠান। এনিয়ে ২৯/১২/২০১৯ইং তারিখ ৩৬৪/৩৯২/২৯১/৩৪ ধারায় ময়মনসিংহ বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ১নং আমলী আদালত একটি মামলা হয়েছে। মামলা নং-১০৭/১৫৫০। এ বিষয়ে খুন হওয়া মোস্তাফির রহমান বাদলের স্ত্রী রোজিনা খাতুনের সাথে কথা বললে তিনি জানান, মামলায় বিবাদীদের সাথে পৃর্ব শত্রুতা ছিল।
আমার স্বামী খুন হওয়ায় আমার জীবন আধাঁরে ঢেকে গেছে। আমার দুই শিশু বাচ্চা দুনিয়াতে বাবার আদর থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আমি সরকারের কাছে আমার স্বামীর খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী করি।

পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

আপনার মতামত কমেন্টস করুন