ত্রিশালে সাবেক এমপি’র মৃত্যু বার্ষিকী পালন করেছে সাংবাদিক নেতারা

0
390


ফকরুদ্দীন অাহমেদ-

ময়মনসিংহের ত্রিশালে জেলা অাওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি ময়েজদ্দিন অাহম্মেদের যথাযয মর্যাদায়
মৃত্যু বার্ষিকী পালন করেছে ত্রিশালের সাংবাদিক
নেতৃবৃন্দ।
২৮অাগস্ট শুকবার সন্ধ্যায় ত্রিশাল অনলাইন প্রেসক্লাব কার্যালয়,এই গুনি ব্যক্তিকে শ্রদ্ধার সাথে স্বরণ করে অালোচনা ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত করা হয়।
অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি এনামুল হকের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন শামীমের সঞ্চালনায়
অলোচনায় অংশ নেন উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফকরুদ্দীন অাহমেদ, বাগান অালিয়া মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অানোয়ার সাদাত জাহাঙ্গীর, ত্রিশাল উপজেলা হেল্পলাইনের সভাপতিসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
এ সময় বক্তারা তাদের অালোচনায় বলেন,১৯৪৭ সালে ভারত পাকিস্তান অালাদা হওয়ার পর তথকালীন পৃর্ব পাকিস্থানের যারা নেতৃত্ব দিতেন তাদের মাঝে ত্রিশালের সন্তান ময়েজদ্দিন অাহম্মেদ ছিলেন উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি। শেরে বাংলা ফজলুল হক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাদের রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের খুব কাছাকাছি ব্যক্তি ছিলেন এই প্রয়াত এমপি ময়েজউদ্দিন অাহমেদ।তাইতো ১৯৫৪ সালে সেও এমপি ছিল।
এই ময়েজদ্দিন অাহম্মোদ কেন্দ্রীয় থেকে শুরু করে একে বারে নিজের এলাকা পর্যন্ত নেতৃত্ব দিতেন। প্রতিবাদী প্রজ্ঞা, ন্যায়-নীতি ও খাটি বাংঙ্গালীর অাদর্শ নিয়ে বাংলা জয়ের স্বপ্নে
সেও ছিল সাহসিক স্তম্ভ। বঙ্গবন্ধু মুজিব তাঁর মাঝে এটা দেখতে পেয়ে বন্ধুত্বের বন্ধন করতে ভূল করেন নি। তাই শেখ মুজিবুর রহমান ময়মনসিংহে আসলে খাবরের স্থান ছিল ময়েজদ্দিন অাহমেদের বাসায়।
অাজ সময়ের ব্যবধানে বন্দী ইতিহাস খূজিনা কেউ।
ইতিহাসের পাতায় বহু কিছু ঢাকা রেখেই
ছুটে চলছি নতুন স্বপ্নের অাশায়। অামরা অতি সহজেই মুছে দিতে পারিনা তাদের বহু বছর অাগে থেকেই পরিকল্পনা, ত্যাগ অার বুক ভরা স্বপ্নের ফসল অাজকের এই বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মুুল বঃক্তিদের। অামরা তাদের ভূলবো না।
সত্যই ময়েজদ্দিন অাহমেদ ছিলেন ত্রিশালের গর্বের ধন।

পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

আপনার মতামত কমেন্টস করুন