দৈনিক পল্লী সংবাদ: আজ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৩তম মৃ’ত্যু বার্ষিকী ।

0
78
‘‘মহা- বিদ্রোহী রণ-ক্লান্ত আমি সেই দিন হব শান্ত, যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দন-রোল, আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না,
 অত্যাচারীর খড়গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না –বিদ্রোহী রণ-ক্লান্ত আমি সেই দিন হব শান্ত!’’মহা বিদ্রোহী মহা কবি প্রিয় নজরুল ইসলাম।আজ ১২ ভাদ্র বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৩তম প্রয়াণবার্ষিকী।কবির আত্মার শান্তি কামনায় বিনম্র শ্রদ্ধা ।
‘‘মসজিদেরই পাশে আমার কবর দিও ভাই যেন গোরের থেকে মুয়াজ্জিনের আজান শুনতে পাই’’।কবির সে ইচ্ছা থেকেই রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রিয় মসজিদের পাশে সমাহিত করা হয়। 
১৮৯৯ সালের ২৫ মে (১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ) ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করা নজরুল ছোট বেলা থেকেই দুখি ছিলেন।কিশোরে পা রাখার আগেই বাবাকে হারিয়ে সংসারের হাল ধরেন।মসজিদের মুয়াজ্জিন, মক্তবে শিক্ষকতা ,মাজারের খাদেম হিসেবে কাজ করার পর চাচার সাথে যাত্রা দলে যোগ দেন।
এরই মধ্যে রুটির দোকানে কাজ করা অবস্থায় দেখা হয় ত্রিশালের কাজীরশিমলার রফিজউদ্দিন দারোগার সাথে।যার চেষ্টায় পরবর্তীতে নজরুল ত্রিশালের দরিরামপুর স্কুলে ভর্তি হন।
মানবতার মুক্তির পাশাপাশি সাম্প্রদায়িকতা, ধর্মান্ধতা, কুসংস্কার, কূপমণ্ডূকতার বিরুদ্ধেও তিনি সোচ্চার ছিলেন। ভালোবাসা, মুক্তি, বিদ্রোহের মতো বিষয় তার সাহিত্যকর্মে প্রাধান্য পেয়েছে। তিনি ছিলেন একাধারে কবি, সাহিত্যিক, সঙ্গীতজ্ঞ, সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ এবং সৈনিক।
আজ কবির প্রয়াণ দিবসে আমরাও যদি বলতে পারি যতদিন সমাজ থেকে পাপতাপ দূর না হবে,যতদিন সমাজ থেকে অন্যায় অত্যাচার অনাচার দূর না হবে ততদিন আমরাও চুপ থাকবো না আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ প্রতিরোধ গড়ে তুলব।হয়তবা একটি দেশ একটি বিভাগকে অন্যায়মুক্ত করতে পারবো না তবে একটি সমাজ একটি গ্রামকে তো অন্যায় থেকে মুক্ত করা যায়।আমরা সকলেই যদি একত্রিত হয়ে আন্দোলন গড়ে তুলি তবে অবশ্যই সমাজ থেকে মাদক,চোর,ডাকাত,অত্যাচারি গোষ্ঠীর বিদায় ঘটবে।
-আজাহারুল ইসলাম আজাহার
সম্পাদক ও প্রকাশক,দৈনিক পল্লী সংবাদ।                                                                                                                                      

পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

আপনার মতামত কমেন্টস করুন