দৈনিক পল্লী সংবাদ: ত্রিশালের ৩নং কাঠাল ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন কামালের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ।

0
586

নিজস্ব প্রতিবেদক:ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ৩নং কাঠাল ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন কামাল এর  বিরুদ্ধে স্বাধীনতাবিরুদীদের মুক্তির জন্য ইউনিয়ন পরিষদে মিলাদ দোয়া মাহফিলসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছেস্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ধলাইমান এলাকার আবুল হোসেনের পুত্র নাজমুল হুদা দেলোয়ার হোসেন কামালের এসব রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকান্ড বিভিন্ন অনিয়ম দুর্ণীতির বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানিয়ে দুর্ণীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান (দুদক) বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি প্রশাসনের কাছে এর তদন্ত সাপেক্ষে সুষ্ঠু বিচার দাবী করেন
আওয়ামীলীগ নেতা নাজমুল হুদার অভিযোগে জানা গেছেউপজেলার কাঠাল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন কামাল ইউপি উন্নয়নে সরকারী বরাদ্ধকৃত প্রকল্প এলজিএসপি, টি আর, কাবিখা, কাবিটা,হতদরিদ্রদের ৪০দিনের কর্মসৃজন কর্মসুচী নাম মাত্র কাজ দেখিয়ে লক্ষলক্ষ টাকার দুর্ণীতি করে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। ৪০ দিনের কর্মসুচীতে কিছু কাল্পনিক হতদরিদ্রদের তালিকা করে তাদের নামে ভূয়া একাউন্ট তৈরী করে অর্থ আত্মসাৎ করে কামাল চেয়ারম্যান প্রায় ৩০লক্ষ টাকা এলজিএসপির কাজের ভূয়া ভাউচারে ৫০লক্ষ টাকা,রেজিষ্ট্রেশনের %এর অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। সরকারী বরাদ্ধের অর্থ লোটপাট,বয়স্ক,বিধবা সহ বিভিন্ন ভাতার অনিয়ম,ভিজিডি,ভিজিএফ এর চাউল চুরি করাসহ বিভিন্ন অভিযোগে অভিযোক্ত চেয়ারম্যান কামাল ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ চেয়ারম্যান কামালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের মাধ্যমে লুট হওয়া সরকারী অর্থ হেফাজত করার জোড় দাবী জানান।
এব্যাপারে জানতে চাইলে ত্রিশাল উপজেলার প্রভাবশালী আওয়ামীলীগ নেতা কাঠাল ইউনিয়নের সন্তান ফজলে রাববী এসব অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে জানানকামাল একটা দুর্ণীতিবাজ চোর চেয়ারম্যান। সে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে কাঠাল ইউনিয়নে কোন উন্নয়ন কাজ হয়নি। সে সকল বরাদ্ধ আত্মসাৎ করে সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ডকে ব্যাহত করছে। ইউনিয়ন পরিষদে রাজাকার যুদ্ধাপরাধীর মুক্তির জন্য দোয়া মিলাদ মাহফিল করে সে রাষ্ট্র বিরোধী কাজ করেছে। অভিযোগের বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের কাছে জোড় দাবী জানান তিনি। তিনি বলেনচেয়ারম্যানের দুর্ণীতির প্রতিবাদে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবীতে খুব শীঘ্রই ইউনিয়নবাসীদের নিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ করা হবে। তিনি বলেনচেয়ারম্যান কামাল তার দুর্ণীতি ঢাকতে অভিযোগকারী কে বিভিন্ন মাধ্যমে টেলিফোন করে লক্ষলক্ষ টাকা দিয়ে ম্যানেজ করার চেষ্টা করছে।
স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা ওমর ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেনচেয়ারম্যান জাতীয় পার্টির নেতা হওয়ায় সে ইউনিয়নের আমাদের দলের নেতাকর্মীদের সকল কিছু থেকে বঞ্চিত করে রেখেছে।তদন্ত সাপেক্ষে তার সকল অভিযোগের সুষ্ঠু বিচারের দাবী জানাচ্ছি।
অভিযোগ কারী নাজমূল হুদা  বলেনকামাল চেয়ারম্যান বিভিন্ন অনিয়মদুর্ণীতির মাধ্যমে জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার ভাব মুর্তিকে জনতার কাছে ক্ষুন্ন করছে।আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন সৈনিক হিসাবে তার অনিয়মদূর্ণীতির বিষয়টি লিখিত আকারে প্রশাসনকে অবগত করেছি। আশা করছি আমার অভিযোগটি সুষ্টু তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নিবেন প্রশাসন
পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

আপনার মতামত কমেন্টস করুন