নিজস্ব অর্থায়নে কাঁচা রাস্তা মেরামত করলেন; আহাম্মদ আলী বুলু

0
112

একে,এম আসাদুজ্জামান পাইলট-

ময়মনসিংহ ত্রিশাল উপজেলার কানিহারী ইউনিয়ন দেওপাড়া গ্রাম”র মসজিদ সংলগ্ন ৯ নং ওয়ার্ড পাকা রাস্তা হতে থাপনহালা প্রাথমিক বিদ্যালয় অভিমুখী কাঁচা রাস্তা সহ ৪ নং কানিহারী”র বিভিন্ন ওয়ার্ড এর কাঁচা রাস্তা গুলোর দুরবস্থায় জনদুর্ভোগ চরমে ছিল।
রাস্তাটিতে দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় জনদুর্ভোগ চরম সীমায় গিয়ে পৌঁছেছে। এমন অবস্থায় জয়যাত্রা টেলিভিশন ও দৈনিক “প্রথম কথা” ময়মনসিংহ প্রতিবেদক একে,এম, আসাদুজ্জামান পাইলট”র বিভিন্ন প্রতিবেদন ও দৈনিক জাতীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জনদরদি, বিশিষ্ট ব্যবসী, আহাম্মদ আলী বুল”র নজরে পড়লে কানিহারীর উন্নয়ন ধারাকে অব্যাহত রাখতে নিজস্থ অর্থায়নে বিভিন্ন ওয়ার্ডের মাটির রাস্তা সংস্কার কাজে এগিয়ে আসেন।

সংস্কার করা রাস্তা সমুহঃ
৫ নং ওয়ার্ডের কানিহারী পাকা রাস্তা হইতে ফারুকীয়া মাদ্রাসার সামনের কাঁচা রাস্তায় সুড়কি, ১ নং ওয়ার্ডে বালিদিয়া পাকা রাস্তা থেকে কাঁচা রাস্তায় বালু ও সুড়কি, ৮ নং ওয়ার্ডে ডাক বাঘাদাঁড়িয়া ঈদগাহ মাঠ, ৩ নং ওয়ার্ডের এলংজানি জামতলা মোড়ে টিব-ওয়েল স্থাপন, তালতলা হইতে কানিহারী গ্রামের মাটির রাস্তায় সুড়কি ও বালু,সেনবাড়ী মোড় হতে চর রামমোহন রোডে ইটের সুড়কি, বহুলী কান্দার মোড় মসজিদ সংলগ্ন মাটির রাস্তা সংস্কার।
তার এই মহতী উদ্যোগকে এলাকার আপামর জন সাধারণের পক্ষ থেকে আন্তরিক সাধুবাদ জানিয়েছেন। সাংবাদিক”র সাক্ষাৎকালে আহাম্মদ আলী বুলু জানান জনগণ চাইলে আগামীতে ৪ নং কানিহারী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী নির্বাচন করবো বলে ভাবছি। সাধারণ মানুষের পাশে থেকে বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করে যাবো। আমি আমার পক্ষ থেকে এলাকা বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসা ও এতিম খানায় সাহায্য সহযোগিতা করে আসছি।
এলাকাবাসী জানান, ত্রিশাল উপজেলার বৃহৎ জনগোষ্ঠীর একাংশ অফিসিয়াল কাজকর্মের জন্য উপজেলা এবং শহরে এই রাস্তা গুলো দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু মান্দাতার আমলের মতো আজও এলাকার সভ্য মানুষকে বগলে জুতা গুঁজে এ পথ গুলো দিয়ে হাঁটতে হতো।

আজ মাটির রাস্তা গুলো সংস্কার করায় অত্র অঞ্চলের ভুক্তভোগী জনগোষ্ঠী যোগাযোগকল্পে কিছুটা
স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারছে পথচারী।
স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীরা জানায়,এই মাটির রাস্তা গুলো এক পসলা বৃষ্টি এলেই রাস্তা আর রাস্তা থাকতো না। তেমনি বয়স্ক মুসল্লীদের মসজিদে যাওয়া আসার ব্যপারেও অনুরূপ অভিযোগ ছিল। এই রাস্তার দৈন্যদশায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হতো ভ্যান, অটোরিকশা গুলোকে। গ্রামের ফসলি জমির ধান মাঠে তোলা ও
খাদ্য সরবরাহ উৎপাদিত পণ্যের বাজারজাত করতে যাতায়াত ব্যবস্থা অনুপযোগী থাকায় অনেক সমস্যায় পড়তে হতো এই অঞ্চলের কৃষক ভাইদের। এলাকাবাসী তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ভোটের সময় নেতারা আসে নেতারা যায় কিন্তু কেউ কথা দিয়ে কথা রাখেনা বিধায়,এই মাটির রাস্তা গুলো করুন দশা করুনই রয়ে যায়।
এদিকে নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তা মেরামত করায় এলাকাবাসীর প্রশংসায় ভাসছেন আহাম্মদ আলী বুলু।

পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

আপনার মতামত কমেন্টস করুন