পিতা-মাতার পরেই শিক্ষকদের গুরু দায়িত্ব -ত্রিশালে মেয়র আনিছুজ্জামান আনিছ

0
460

কামরুজ্জামান মিনহাজ, ত্রিশাল ঃ
ত্রিশাল পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব এবিএম আনিছুজ্জামান আনিছ ত্রিশাল পৌরসভাসহ উপজেলাব্যাপী সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার মান অক্ষুণ্ন রাখার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস করা যাবে না। মেয়র শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে বলেন, পিতা-মাতার পরেই শিক্ষকদের গুরু দায়িত্ব রয়েছে শিক্ষার্থীদের আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার। শিক্ষার পরিবেশ ও শিক্ষকদের কথা বিবেচনায় ত্রিশাল পৌরসভার মেয়র হিসাবে চেষ্টা করি পৌর এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি পূর্বের তুলনায় বহুগুণের শিক্ষামুখী করা হয়েছে ।
এক সাক্ষাতকারে পৌরমেয়র ও ত্রিশাল নজরুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের , ৫৪নং ত্রিশাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতির দায়িত্বপালনকারী এবিএম আনিছুজ্জামান আনিছ আরো বলেন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান ভালো হলেই ভালো শিক্ষার্থীরা আসবে আর ভালো শিক্ষার্থী পাওয়া গেলেই ভালো ফলাফল অর্জিত হবে, এতে প্রতিষ্ঠানের সুনাম বৃদ্ধি পাবে। মেয়র শিক্ষকদের স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানের মানউন্নয়নে নিজেদের সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রাখার পরামর্শ দেন।

জানা গেছে, পরিশ্রম আর অদম্য ইচ্ছাশক্তির জোরে নিজেকে আলোকিত করেছেন ত্রিশাল পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব এবিএম আনিছুজ্জামান আনিছ । শিক্ষার আলো ছড়িয়ে চলছেন অসহায়, গরিব শিশুদের মাঝে। একজন পরোপকারী মানুষ, যিনি নিজের সংসারের চেয়ে অন্যের জন্য বেশি ব্যস্ত থাকেন।
অভিজ্ঞরা বলেন,প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই সুপ্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক ব্যবস্থা। যুগের পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে বিশ্বের সামগ্রিক উন্নয়নে অংশীদার হতে প্রতিটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জনগণ তাদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকারের শাসনব্যবস্থায় পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করছে। স্থানীয় পর্যায়ে প্রত্যেক জনপ্রতিনিধি তার নির্বাচনী এলাকার জনগণের প্রত্যাশা পূরনের ম্যান্ডেট নিয়েই ভোটে নির্বাচিত হয়ে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নির্বাচিত হয় এবং তার সামগ্রিক কার্যক্রমের জন্য জনগণের নিকটই দায়বদ্ধ থাকে। তাই প্রতিটি উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে জনপ্রতিনিধিরা যদি কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সাথে সমন্বয় করে কাজ করে, তবে অতি সহজেই উন্নয়ন কার্যক্রম ত্বরান্বিত হয় এবং সার্বিক অগ্রগতি সাধিত হয়। বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থার প্রতিটি স্তরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ওপর দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১ নং অনুচ্ছেদে প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে এবং ৫৯ ও ৬০ নং অনুচ্ছেদে স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত বিশদ আলোচনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে বিভিন্ন সময়ে বেশ কয়েকটি আইন প্রবর্তিত এবং কার্যকর হয়েছে। কেন্দ্রীয় পর্যায়ে জাতীয়ভাবে নির্বাচিত সংসদ সদস্যগণ তাঁদের স্ব স্ব নির্বাচনী এলাকার জনপ্রতিনিধি হিসেবে পার্লামেন্টে আইন প্রণয়নে জনগণের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করেন। আর সেসব আইন বাস্তবায়নে জেলা পর্যায়ে কাজ করেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যানসহ সদস্যগণ; উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যানসহ সদস্যগণ; ইউনিয়ন পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানসহ সদস্যগণ; সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলরগণ এবং পৌরসভার মেয়র ও ওয়ার্ড কাউন্সিলরগণ। অর্থাৎ প্রতিটি স্তরে নির্বাচিত প্রত্যেকেই জনপ্রতিনিধির আওতাভুক্ত। একজন সৎ, দক্ষ, যোগ্য ও দূরদর্শী জনপ্রতিনিধির যথাযথ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সরকারের গৃহীত যে কোনো পদক্ষেপ সফলভাবে বাস্তবায়িত হতে পারে। সুষম জাতীয় উন্নয়নের জন্য অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন ও গতিশীল সমাজ সৃষ্টিতে দক্ষ মানব সমাজের বিকল্প নেই। আর দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যম হচ্ছে শিক্ষা। রূপকল্প ২০২১ ও রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রদান করে বৈষম্যহীন সমাজ সৃষ্টির লক্ষ্যে মেয়র আনিছ একজন অনুকরণীয় অনুসরনীয় জনপ্রতিনিধি ।

মেয়র আলহাজ্ব এবিএম আনিছুজ্জামান আনিছের মাধ্যমে শিশুদের মধ্যে নৈতিকতা ও চেতনা জাগ্রতকরণ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের অনুশীলন ও অসাম্প্রদায়িক চিন্তার বিকাশ সাধনের অন্যতম হাতিয়ার হচ্ছে শিক্ষার মানোন্নয়ন। মেয়র আলহাজ্ব এবিএম আনিছুজ্জামান আনিছ জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার ভিশন বাস্তবায়নেও কাজ করে যাচেছন ।

জনপ্রিয় মেয়র আলহাজ্ব এবিএম আনিছুজ্জামান আনিছকে বলা যায় স্থানীয় রাজনীতিতে তিনি সবচেয়ে ক্যারেসমেটিক লিডার। নীলকণ্ঠে হাসি মুখে দ্যুতি ছড়ানোই যেন উনার ব্রত। তিনি নিত্য বহমান তারুণ্যের হৃদয়ে। দিন শেষে গোধুলি লগ্নে স্বপ্ন জয়ের হাসিতে অম্লান ।

পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

আপনার মতামত কমেন্টস করুন