শিরোনাম
ত্রিশাল ইউনিয়নে আ’লীগের দলীয় চেয়ারম্যান হতে হলে, দরকার জাকির হোসেন সরকারের ত্রিশালে বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করলেন মেয়র আনিছ ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আহাম্মদ আলী বুলুর নির্বাচনী প্রচারনা ত্রিশালে শ্রমিক লীগের ৫২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন শারদীয় দুর্গা পূজার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কানিহারী ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ ফরহাদ হোসেন অনিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল বন্ধের নির্দেশ, হাইকোর্টে আপিল করলেন বনেক ত্রিশা‌লে বাংলা‌দে‌শের খবর প‌ত্রিকার প্রতিষ্ঠা বা‌র্ষিকী পা‌লিত ত্রিশালে রাজনৈতিক ভাবে হেয় করতে মেয়র আনিছের বিরুদ্ধে চক্রান্ত ত্রিশালের মঠবাড়ি ফুটবল ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত ত্রিশালে বিরল রোগাক্রান্ত সালমানের পরিবারকে ঘর প্রদান
শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ০৮:০৮ অপরাহ্ন

শিক্ষক ও তাঁর সম্মান

রিপোটারের নাম / ১৩৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩১ জুলাই, ২০২১

প্রতিবেদক-শাহ আহসান হাবিব বাবু

একজন প্রাজ্ঞ, দূরদৃষ্টিসম্পন্ন সত্যিকারভাবে শিক্ষিত শিক্ষক সমাজ বদলে একটি বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারেন। আদর্শ শিক্ষকই শুধু আদর্শ সমাজ প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি করতে পারেন।এ মর্মে নবী (সা.) ইরশাদ করেন, ‘দুই ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কারও পদ-গৌরব লোভনীয় নয়। তা হলো- ১. ধনাঢ্য ব্যক্তি, যাকে আল্লাহ ধন-সম্পদ দান করেছেন এবং তা সৎপথে ব্যয় করার ক্ষমতা দিয়েছেন; ২. ওই ব্যক্তি, যাকে আল্লাহ বিদ্যা দান করেছেন এবং সে অনুসারে সে কাজ করে ও অপরকে শিক্ষা দেয় (বুখারি :৭১)। রাসুল (সা.) বলেন- ‘আল্লাহর পরে, রাসুলের পরে ওই ব্যক্তি সর্বাপেক্ষা মহানুভব, যে বিদ্যার্জন করে ও পরে তা প্রচার করে (বুখারি :৪৬৩৯)।

রাসুল (সা.) শিক্ষা, শিক্ষা উপকরণ, শিক্ষক ও শিক্ষার ব্যাপকীকরণে সদা সচেষ্ট ছিলেন। তাই তো প্রিয় নবী (সা.) বদরের যুদ্ধবন্দিদের মুক্তির জন্য মদিনার শিশুদের শিক্ষা দেওয়ার চুক্তি করেছিলেন। যার মাধ্যমে তিনি বন্দিদের মুক্তির ব্যবস্থা করেছিলেন, যা বিশ্ব ইতিহাসে বিরল।

যার কাছ থেকে জ্ঞান অর্জন করা হয়, তিনিই আমাদের শিক্ষক। শিক্ষকের মর্যাদায় ইসলামের বক্তব্য সুস্পষ্ট। একবার হজরত জায়েদ ইবনে সাবিত (রা.) তার সওয়ারিতে ওঠার জন্য রেকাবে পা রাখলেন। তখন ইবনে আব্বাস (রা.) রেকাবটি শক্ত করে ধরেন।

হজরত জায়েদ বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসুলের (সা.) চাচাতো ভাই, আপনি (রেকাব থেকে) হাত সরান।’ উত্তরে ইবনে আব্বাস (রা.) বললেন, ‘না, আলেম ও বড়দের সঙ্গে এমন সম্মানসূচক আচরণই করতে হয় (আল ফকিহ ওয়াল-মুতাফাক্কিহ, ২/১৯৭)।’

জ্ঞানার্জনের জন্য প্রয়োজনে সুদূর চীন দেশে পর্যন্ত যেতে বলা হয়েছে। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত শিক্ষা অর্জন করো।’

উমর (রা.) ও উসমান (রা.) তাদের শাসনামলে শিক্ষা ব্যবস্থাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তারা শিক্ষক ও ধর্মপ্রচারকদের জন্য বিশেষ ভাতার ব্যবস্থা করেছিলেন। হজরত উমর (রা.), ওসমানের (রা.) যুগে মুয়াজ্জিন, ইমাম ও শিক্ষকদের সরকারি ভাতা দেওয়া হতো (কিতাবুল আমওয়াল, ১৬৫)।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ