শিরোনাম
ত্রিশালে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ত্রিশালে আনন্দঘন পরিবেশে মেয়র আনিছের ৫৩ তম জন্মদিবস পালন শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন দৈনিক পল্লী সংবাদ পত্রিকার সম্পাদক আজাহার ত্রিশাল উপজেলা প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত জাককানইবি উইমেন লিডার্স প্রকল্পের নতুন কমিটি ঘোষণা;সভাপতি ইরা সম্পাদক আঁখি ময়মনসিংহ সম্মিলিত প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন সভাপতি রবি – সম্পাদক সফিক ত্রিশালে ইউপি নির্বাচনে আ’লীগ প্রার্থীদের জয়ের মূখ্য ভূমিকা ছিল মেয়র আনিছের কানিহারীতে ১নং ওয়ার্ড মেম্বার পদে যুবসমাজের পছন্দের প্রার্থী রাশেদুল ইসলাম রাশেদ বদলগাছীতে ধান ক্ষেতে অজ্ঞাত ব্যক্তির ‘পা’ উদ্ধার করেছে পুলিশ উল্লাপাড়ায় গেম খেলতে বাধা দেয়ায় এসএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা
মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২২, ০১:১১ অপরাহ্ন

শিক্ষক ও তাঁর সম্মান

রিপোটারের নাম / ২২৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩১ জুলাই, ২০২১

প্রতিবেদক-শাহ আহসান হাবিব বাবু

একজন প্রাজ্ঞ, দূরদৃষ্টিসম্পন্ন সত্যিকারভাবে শিক্ষিত শিক্ষক সমাজ বদলে একটি বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারেন। আদর্শ শিক্ষকই শুধু আদর্শ সমাজ প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি করতে পারেন।এ মর্মে নবী (সা.) ইরশাদ করেন, ‘দুই ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কারও পদ-গৌরব লোভনীয় নয়। তা হলো- ১. ধনাঢ্য ব্যক্তি, যাকে আল্লাহ ধন-সম্পদ দান করেছেন এবং তা সৎপথে ব্যয় করার ক্ষমতা দিয়েছেন; ২. ওই ব্যক্তি, যাকে আল্লাহ বিদ্যা দান করেছেন এবং সে অনুসারে সে কাজ করে ও অপরকে শিক্ষা দেয় (বুখারি :৭১)। রাসুল (সা.) বলেন- ‘আল্লাহর পরে, রাসুলের পরে ওই ব্যক্তি সর্বাপেক্ষা মহানুভব, যে বিদ্যার্জন করে ও পরে তা প্রচার করে (বুখারি :৪৬৩৯)।

রাসুল (সা.) শিক্ষা, শিক্ষা উপকরণ, শিক্ষক ও শিক্ষার ব্যাপকীকরণে সদা সচেষ্ট ছিলেন। তাই তো প্রিয় নবী (সা.) বদরের যুদ্ধবন্দিদের মুক্তির জন্য মদিনার শিশুদের শিক্ষা দেওয়ার চুক্তি করেছিলেন। যার মাধ্যমে তিনি বন্দিদের মুক্তির ব্যবস্থা করেছিলেন, যা বিশ্ব ইতিহাসে বিরল।

যার কাছ থেকে জ্ঞান অর্জন করা হয়, তিনিই আমাদের শিক্ষক। শিক্ষকের মর্যাদায় ইসলামের বক্তব্য সুস্পষ্ট। একবার হজরত জায়েদ ইবনে সাবিত (রা.) তার সওয়ারিতে ওঠার জন্য রেকাবে পা রাখলেন। তখন ইবনে আব্বাস (রা.) রেকাবটি শক্ত করে ধরেন।

হজরত জায়েদ বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসুলের (সা.) চাচাতো ভাই, আপনি (রেকাব থেকে) হাত সরান।’ উত্তরে ইবনে আব্বাস (রা.) বললেন, ‘না, আলেম ও বড়দের সঙ্গে এমন সম্মানসূচক আচরণই করতে হয় (আল ফকিহ ওয়াল-মুতাফাক্কিহ, ২/১৯৭)।’

জ্ঞানার্জনের জন্য প্রয়োজনে সুদূর চীন দেশে পর্যন্ত যেতে বলা হয়েছে। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত শিক্ষা অর্জন করো।’

উমর (রা.) ও উসমান (রা.) তাদের শাসনামলে শিক্ষা ব্যবস্থাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তারা শিক্ষক ও ধর্মপ্রচারকদের জন্য বিশেষ ভাতার ব্যবস্থা করেছিলেন। হজরত উমর (রা.), ওসমানের (রা.) যুগে মুয়াজ্জিন, ইমাম ও শিক্ষকদের সরকারি ভাতা দেওয়া হতো (কিতাবুল আমওয়াল, ১৬৫)।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ