১৯৭৫ সালে আওয়ামীলীগ রাজবন্দী নেতাদের খাবার নিয়ে যেতেন – শিশু আনিছুজ্জামান

0
256

ফকরুদ্দীন অাহমেদ//
১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করার প্রতিবাদে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নেতা কর্মী বিদ্রোহী সেনা শাসকের হাতে গণ গ্রেফতারের স্বীকার হন। সে সময় এই গ্রেফতারে রাজবন্দী ছিলেন, মহামান্য রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান, বর্ষীয়ান আওয়ামীলীগ নেতা তোফায়েল আহমেদসহ সারা দেশে অসংখ্য নেতা কর্মী।
এই গণ গ্রেফতার অভিযানে ময়মনসিংহ জেলাতেও অসংখ্য নেতা কর্মী রাজবন্দী হন । গ্রেফতার হয়েছিলেন, ময়মনসিংহের ত্রিশাল থানা অাওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক- মরহুম আবুল হোসেন চেয়ারম্যান। বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের বিশেষ তথ্যসূত্রে জানাযায়- মহামান্য রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান,বর্ষীয়ান আওয়ামীলীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ ত্রিশালের মরহুম আবুল হোসেন চেয়ারম্যান সহ অসংখ্য নেতাকর্মী বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদ করায় রাজবন্দী হয়ে ময়মনসিংহ কারাগারে ছিলেন। বিষয়টি নিয়ে যখন ত্রিশাল পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব এবিএম আনিছুজ্জামান আনিছে কথা বলা হয় তিনি বলেন ,আমি যখন ত্রিশাল সরকারি মডেল প্রাঃ স্কুলের ছাত্র তখন বিশ্বাস ঘাতক সেনা সদস্যরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেন। আমার পিতা ত্রিশাল আওয়ামীলীগ নেতা কর্মী নিয়ে বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদে রাজপথে আন্দোলন করছিলেন ঠিক সে মুহুর্তে রাজবন্দী হন আমার পিতা। পরে ময়মনসিংহ কারাগারে ৮মাস কারা বন্দী ছিলেন। ঐ সময় ময়মনসিংহ কারাগারে
মহামান্য রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান, ও তোফায়েল আহমেদ মত নেতারা রাজবন্দী ছিলেন। সেসময় আমার মাকে নিয়ে প্রতিদিন সবার জন্য খাবার নিয়ে যেতাম কারাগারে। সেদিনের স্মৃতিগুলো আমার হৃদয় বার বার বেদনার্ত করে তুলে। সেদিন থেকেই মুজিব আদর্শ আমার জীবন আদর্শ হিসেবে বেছে নিয়েছি। আজ৪৫ বছর রাজনৈতিক পথচলা জয়বাংলা স্লোগানে।

পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

আপনার মতামত কমেন্টস করুন