1. info@pollysangbad.com : polazhar :
শিরোনাম :
ময়মনসিংহের কোতোয়ালী পুলিশের অভিযানে বিদেশী পিস্তলসহ জজ মিয়া গ্রেফতার ত্রিশাল সরকারি প্রাঃ বিদ্যালয় এবিএম আনিছুজ্জামান এমপিকে সংবর্ধনা ত্রিশালে বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস পালিত ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী উদযাপনে দ্বিতীয় দিন ত্রিশালে ইউপি সদস্য কামাল হোসেন আজীবন জনগনের সেবা দিতে চান ত্রিশালে কবি নজরুলের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী পালনে প্রস্ততি সভা অনুষ্ঠিত ত্রিশালে সংকল্প একাডেমীর বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত ত্রিশালে শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করলেন আনিছুজ্জামান এমপি ত্রিশালে শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি জনগনের সেবা দিতে অফিস উদ্বোধন করলেন আনিছুজ্জামান এমপি

আজ পবিত্র শবে বরাত: এ রাতে করনীয় বর্জনীয়

  • আপডেট সময় রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ২১৪ বার পড়া হয়েছে

শবে বরাত শব্দটি ফার্সি, শব অর্থ রাত বরাত অর্থ মুক্তি শবে বরাত মানে মুক্তির রাত।হাদিসের ভাষায় যাকে নিসফি শাবান বলা হয়েছে।অর্থাৎ শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতকে শবে বরাত বলা হয়।এই রাত সম্পর্কে হাদীস শরীফে এসেছে হজরত আয়শা সিদ্দিকা (রা.) বলেন, একবার রাসুলুল্লাহ (সা.) নামাজে দাঁড়ালেন এবং এত দীর্ঘ সিজদা করলেন যে আমার ধারণা হলো তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। আমি তখন উঠে তাঁর পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলি নাড়া দিলাম, তাঁর বৃদ্ধাঙ্গুলি নড়ল; তিনি সিজদা থেকে উঠলেন এবং নামাজ শেষ করে আমাকে লক্ষ করে বললেন, “হে আয়শা! তোমার কি এ আশঙ্কা হয়েছে?” আমি উত্তরে বললাম, ‘ইয়া রাসুলুল্লাহ (সা.), আপনার দীর্ঘ সিজদা থেকে আমার আশঙ্কা হয়েছিল আপনি মৃত্যুবরণ করেছেন কি না।’ নবীজি (সা.) বললেন, ‘তুমি কি জানো এটা কোন রাত?’ আমি বললাম, আল্লাহ ও আল্লাহর রাসুলই ভালো জানেন।’ তখন নবীজি (সা.) বললেন, ‘এটা হলো অর্ধ শাবানের রাত। এ রাতে আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের প্রতি মনোযোগ দেন, ক্ষমাপ্রার্থনাকারীদের ক্ষমা করে দেন, অনুগ্রহপ্রার্থীদের অনুগ্রহ করেন। আর বিদ্বেষ পোষণকারীদের তাদের অবস্থাতেই ছেড়ে দেন।’ (শুআবুল ইমান, তৃতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩৮২)।

অপর হাদিসে এসেছে,হজরত আয়শা (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে: নবীজি (সা.) এ রাতে মদিনার কবরস্থান ‘জান্নাতুল বাকি’তে এসে মৃতদের জন্য দোয়া ও ইস্তিগফার করতেন। তিনি আরও বলেন, নবীজি (সা.) তাঁকে বলেছেন, এ রাতে বনি কালবের ভেড়া–বকরির পশমের (সংখ্যার পরিমাণের) চেয়েও বেশিসংখ্যক গুনাহগারকে আল্লাহ ক্ষমা করে দেন। (তিরমিজি: ৭৩৯)।

সুতরাং বিদ্বেষযুক্ত অন্তর পরিহার করে আল্লাহর সাথে শিরক থেকে মুক্ত থেকে আল্লাহর ক্ষমা পাওয়ার আশায় এই রাত্রীতে জিবনের গুনাহগুলোর জন্য তওবা করা এবং আমাদের চারপাশের কবরস্থানে শায়িত কবরবাসীদের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে।

এ দিন রাতে ইবাদত করে পরদিন রোজা রাখার কথা বলা হয়েছে অন্য হাদিসে। এ বিষয়ে হজরত আলী রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে একটি হাদিস বর্ণিত হয়েছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘১৫ শাবানের রাত (১৪ তারিখ দিবাগত রাত) যখন আসে তখন তোমরা এ রাতটি ইবাদত-বন্দেগিতে কাটাও এবং দিনের বেলা রোজা রাখো। ’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস, ১৩৮৮)

ফজিলতপূর্ন এ রাতটি যেন আতশবাজি,পটকা ফোটানো,মসজিদে মসজিদে অতিরিক্ত আলোকসজ্জা ও খাওয়া দাওয়ায় ব্যস্ত হয়ে না পড়ি।তাছাড়া আমাদের অপচয় থেকে বেচে থাকতে হবে আল্লাহ বলেন, তোমরা অপচয় করোনা ,কেননা নিশ্চই অপচয়কারী শয়তানের ভাই।(সূরা বনি ইসরাইল-২৭)

রাতভর নফল নামাজ,কুরআন তিলাওয়াত,কবর জিয়ারত ও আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়ার মাধ্যমে এই রাতটি পালন হোক।এ রাতের অঙ্গিকার হোক এক মুসলিম ভাই অন্য মুসলিম ভাইয়ের প্রতি সকল হিংসা, বিদ্বেষ,রাগ,জিদ পরিহার করে দৃঢ় ভাতৃত্বের বন্ধন প্রতিষ্ঠা করা।আল্লাহ এ রাতের উসিলায় গোটা মুসলিম উম্মাহকে শান্তি,রহমত,বরকত,রিজিক দান করুক।

হাফেজ আজাহারুল ইসলাম আজাহার

সাংবাদিক ও কলামিস্ট।  

 

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো ক্যাটাগরি
© All rights reserved © 2019 ’পল্লী সংবাদ’
Site Customized By NewsTech.Com